বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
লালমনিরহাটে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত ‘ডিবির হেফাজতে’ ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর আগে আটকের সময় কী ঘটেছিল, এমন ভিডিও ফেসবুকে মাদককারবারি বড় ভাইকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে গিয়ে আটক ছোট ভাই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ৬ লেনের দাবিতে তিন কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন শাহবাগে ফ্ল্যাট থেকে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার চার নারীসহ ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার আটক রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার বালু উত্তোলন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে বিএনপি কর্মী নিহত কালিয়াকৈরের মৌচাক ভান্নারা সড়কের উপর দোকান নির্মাণের অভিযোগ চট্টগ্রামে লরিচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী শিক্ষক দম্পতির মৃত্যু
বিএনপি সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আসার সম্ভাবনা নেই মোদির

বিএনপি সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আসার সম্ভাবনা নেই মোদির

নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। এতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ আঞ্চলিক অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তবে বিএনপি সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আসার সম্ভাবনা নেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির। সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভারতে আসবেন। ওইদিন মুম্বাইয়ে মোদি ও ম্যাক্রোঁর বৈঠকের কথা আছে।

ম্যাক্রোঁ পরবর্তীতে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে এআই ইমপেক্ট সম্মেলনে অংশ নেবেন। তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করে নিজ দেশে ফিরে যাবেন।


শপথে তাহলে কে আসবেন?
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের উচ্চপদস্থ কেউ অংশ নেবেন। এরমধ্যে ভাইস-প্রেসিডেন্ট অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বিএনপি প্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

পোস্টে মোদি লিখেছেন, ‌‌‘‘তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। আমি তাকে বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’’

দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে ভারতের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন থাকা দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে আমি উভয় দেশের জনগণের শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com